Connect with us

১০০% ফ্রি-তে সিনেমা দেখতে দিয়েও পাইরেসী – কুকুরের লেজ হয় না যে সোজা

Case Studies

১০০% ফ্রি-তে সিনেমা দেখতে দিয়েও পাইরেসী – কুকুরের লেজ হয় না যে সোজা

বাংলাদেশে পাইরেসী নিয়ে অনেক ধরনের লেখালেখি হয়েছে। অনেক আন্দোলন প্রতিবাদ, আইন কত না কিছু। পাইরেসীর কারনে মুভি মেকাররা আয় করতে পারছেন না, ইনভেস্টররা ইনভেস্ট করছেন না ভয়ে। কিন্তু এমন কোথাও শুনেছেন যে বিনামুল্যে যে সিনেমা অনলাইনে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে তারও পাইরেসী হচ্ছে। গতকাল রাতে রিলিজ করা তাহসীন রাকিবের প্রযোজনায় “দেয়াল” অনলাইনে উন্মুক্ত করে দেয়া হয় সবার জন্য – শতকরা ১০০ ভাগ। ইউটিউবে গিয়ে বিনামুল্যে যে কেউ দেখতে পারেন। যা ইতিমধ্যে কয়েক লক্ষ ভিউ পেয়ে গেছে।

কিন্তু সেখানেও সমস্যা। কিছু লোক আছে যারা সেই ভিডিও ডাউনলোড করে আবারও আপলোড করছে কোন সাইটে বা ফেসবুক পেজে। এখানেও পাইরেসী? করবেটা কি বাংলাদেশের নির্মাতারা। ফ্রি তে দিলেও দোষ? এসব চোরদের আর কিভাবে নিয়ন্ত্রন করা যাবে? চুরি করা কি এদের ধর্ম? এর আগে নাহিদরেইন্স পরিচালিত “দ্যা ভিক্টরী” মিনি সিনেমাটাও এভাবেই অনলাইনে রিলিজ করা হয়েছিল এবং সেই রাতেই কম করে হলেও ২০ টা রি-আপলোড লিঙ্ক ডিলিট করা হয়েছিল অনলাইন থেকে। সেই একই কাজ, ডাউনলোড করে আবার কোথাও আপলোড করা।

এসব চোরদের কাজ হলো নিজেদের সাইটে বা প্রোফাইলে একটু ট্রাফিক বাড়ানো – হোক সেটা চুরি করে। মায়ের পেট থেকে চুরি করা তো আর কেউ শিখে আসেনা কিন্তু এদের কাজকর্ম দেখলে মনে হয় এরা বংশ পরম্পরায় চোর-ডাকাত আর পাইরেসীর বংশধর। এদের কৃতকাজ নিয়েও এদের কোন লজ্জা নেই। কোন বিবেক নেই। তরুন নির্মাতা অনেক কস্ট করে স্পন্সর ছাড়া এসব অনলাইন সিনেমা তৈরী করে দেশীয় মিডিয়াটাকে একটু ঠিক করার জন্য আর ইউটিউবে দেখতে দেয় বিনামুল্যে আর ইউটিউব থেকে তারা কাউন্ট করতে পারে আসলে কতজন মানুষ দেখছে সেই সাথে হয়তো সামান্য কিছু অর্থ উপার্জন তাও খুবই অপ্রতুল। তাঁদের মুল উদ্দেশ্য নতুন কিছু দেখানো। কিন্তু এসব চোর-বাটপারদের কারনে এটাও হয়ে উঠেনা। আর এই তরুন নির্মাতারা হতাশ হয়ে পড়েন।

রাষ্ট্রীয়ভাবে না পারলে অন্তত সামাজিক ভাবে এদের প্রতিহত করতে হবে তা না হলে দেশীয় মিডিয়া আরো বেশী মুখ থুবড়ে পড়বে।

Comments

comments

More in Case Studies

Advertisement

Popular Now

Advertisement

Latest Tutorials

To Top