Connect with us

লাগামহীন ঘোড়া : ইন্টারনেট মূল্য

Case Studies

লাগামহীন ঘোড়া : ইন্টারনেট মূল্য

বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে।আমাদের দেশে এখন প্রায় সব শ্রেনী পেশার মানুষ আধুনিক ম্মার্ট ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে। আর ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের দেশের অধিকাং ব্যবহারকারী মুঠোফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করে।তাই আমাদের দেশের মুঠোফোনের অপারেটর গুলো আয়ের অনেকাংশ আসে ইন্টারনেটের বিক্রয় থেকে।বর্তমানে ৬ কোটি ৭২ লাক্ষ মানুষ মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করে (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রন কমিশন এর পরিসংখ্যান)। কিন্তু অত্যান্ত দুঃখের বিষয়,মুঠোফোনের ইন্টারনেট এর মূল্য খুবি বেশি।৭ দিনের যেকোন ইন্টারনেটের মূল্য ৮৯ থেকে ৯৪ টাকা।আর মাসব্যাপী ইন্টারনেট এর মূল্য ১৮০ টাকা থেকে ২২০ টাকা। সাথে শতকরা ২০% কর যোগ হয়।সব মিলিয়ে ইন্টারনেটের মূল্য সাধারণ গ্রাহকদের কাছে খুবি বেশি হয়ে দাড়ায়।তাছাড়া এখন সবাই উচ্চ গতির স্মার্ট মোবাইল ব্যবহার করে যার মাধ্যমে এক গিগাবাইট ইন্টারনেট দিয়ে এক মাস দূরের কথা ৭ দিন ও যায় না। আর বর্তমান যুগই ইন্টারনেট এর যুগ। সবাই কম বেশি ইন্টারনেট এর উপর নির্ভরশীল। তাই সবারই ইন্টারনেট এর চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু উচ্চ দামের কারনে তা সব শ্রেণী পেশার মানুষের নাগালের বাইরে।এ কারনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে না যা দেশের উন্নতির অন্তরায়।

এমতাবস্হায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রন কমিশন মুঠোফোনের ইন্টারনেটের দাম কত হওয়া উচিত তা বের করার জন্য কস্ট মডেলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।কস্ট মডেলিং করার পর বুঝা যাবে আসলে ইন্টারনেট এর মূল্য কত হওয়া উচিত।এবং বর্তমান মূল্য কতটা বাস্তবসম্মত। কস্ট মডেলিং করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রন কমিশন দেশের মানুষের আয়ের ও ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে ইন্টারনেটের বাস্তবসম্মত মূল্য নির্ধারণ করবে। এতে এত দিন ধরে চলা লাগামহীন ইন্টারনেট এর মূল্যে কিছু হলেও লাগাম টানতে পারবে।যা সাধারন মানুষের বিরম্বনা লাঘব করবে।

ছবি ও লেখা:  রোজেল কাজী

Comments

comments

Continue Reading
Advertisement
You may also like...
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More in Case Studies

Advertisement

Popular Now

Advertisement

Latest Tutorials

To Top